১৬ তম অংশঃ"কাউকে ভালবাসার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে"

540 10 1
                                    

ইয়াতিম খানার অনুষ্ঠান খুব ভালভাবেই শেষ হয়েছে।অনুষ্ঠান শেষে দাদীকে বিদায় দিয়ে আমি, মা আর আমার ছোট ভাই বাসায় ফিরলাম।বাসায় ফিরতে ফিরতে আমাদের রাত ১০টা বেজে গেছে।আজ খুব ব্যাস্ততায় কেটেছে সারাটাদিন।দম ফেলানোর মত সময়টাও পায় নি।এখন হাত পা ভেঙ্গে আসছে।আর চলছে না এরা।

আজ সবাই এসেছিল ইয়াতিম খানায়,অনেক মজাও হয়েছে।পুলিশ অফিসার নোমানও এসেছিল।হ্যা হ্যা আমি জানি ভাবছেন উনি কিভাবে আসলেন?আসলে দাদিকে আমি গতরাতে তার কথা বলেছিলাম।যে উনি কিভাবে আমাকে সাহায্য করছেন।তাই দাদী বললেন তাকে বলার জন্য আসতে।উনার সাথে দ্বিতীয় বার দেখা হয়ে, কথা বলে ভাল লাগল।খুব সহজে কথা বলা যায় তার সাথে।যাকে বলে Ease to talk with. আর তার সাথে কথা বললে মনেই হয় না যে সে একজন পুলিশ অফিসার।আমার কাছে মনে হলো খুব সহজ মনের একজন মানুষ।তবে আজ তিনি বললেন তিনি আর্মিতে যেতে চান।অফিসার পদে,তার জন্য তার কিছু ডিগ্রী্র দরকার পরবে।আর তিনি এখন তার ডিগ্রী কমপ্লিট করার চেস্টায় আছেন।কিভাবে জানিনা তবে তিনি আমার বড় ভাইয়া কেউ চেনেন।তিনি বললেন আমি যদি চাই তবে আমরা ভাল বন্ধু হতে পারি।আর তখন আমি তাকে বল্লাম,আমার মনে হয় আমরা ইতি মধ্যে ভাল বন্ধু হয়ে গেছি।তবে আমি তাকে বলি নি আমি তিন দিন পর বাংলাদেশ ছেড়ে যাচ্ছি।কারন এই ব্যাপার নিয়ে আমি এখনও আমার পরিবারের সাথে ভালভাবে কথা বলতে পারিনি।

আজ খুব ধকল গেছে তাই বাসায় ডুকে আমি সরাসরি গোসলখানায় ডুকে পরলাম গোসলের জন্য।সচারচর আমি একটু পানি চোরা মানুষ। অনেকে আছে যারা গরমের সময় দু থেকে তিন বার গোসল করে।কিন্তু আমি পারি না।কারন আমার আলসেমি এবং শীত দুটোই লাগে হাহাহা।বাবা আর আমি এক রকম ছিলাম।গোসলের জন্য আমরা দুজন মায়ের কাছে সবচেয়ে বেশী বকা খেয়েছি।আমার আর বাবার এমনও রেকর্ড আছে আমরা তিন চার দিন শীতে গোসল করতাম না।আর আমিতো সাত দিন একটানা গোসল না করেও কাটিয়েছি।যখন মা নানু বাড়ি যেতেন তখন এই কাজ করতাম সচেয়ে বেশী করতাম।খুব মজার ছিল দিনগুলো।সময়ের সাথে সাথে  আভ্যাসগুলোও ধীরেপালটে যাচ্ছে।মন-মানসিকতারও অনেক পরিবর্তন এসেছে।দেখা যাক জীবন আর কতখানি পাল্টাতে পারে...।

ভালবাসার অপেক্ষায়...Where stories live. Discover now